পুকুর পার গিয়ে বসে আছি। রুবেল তো পুরো পুকুর সাঁতরে এসে পড়েছে। কিন্তু আমরা হাটু পানিতে নেমে ওর সাঁতার দেখতেছিলাম। কি করবো সাঁতার তো পারিনা। তা নাহলে তো আমিও যেতাম পুকুরের মাঝে। রুবেল যেতে বলছিলো কিন্তু সাহস হয়ে উঠেনি। তাই আর যাওয়া হয়নি পুকুরের মাঝ খানে। মাঝ খান থেকে রুবেল কয়েকটা শাপলা ফুল নিয়ে আসে। কিন্তু কি হলো সব ফুল দিয়াকে দিয়ে দিলো।
.
- বন্ধু আমাকে একটা এনে দিবি?
- পারতাম না। তুই গিয়ে নিয়ে আয়।
- তুই না আমার বন্ধু। যা না বন্ধু প্লিজ।
- কেনো? ভাবিকে দিবি নাকি?
- হ্যা। আর কাকে দিবো তাহলে?
- আমার সাথে আয় তাহলে।
- বন্ধু ভয় করে।
- আমি তো নিয়ে যাবো তোকে। ভয় কিসের? আর নাহলে থাকুক।
- দাড়া নিয়ে যা। কিন্তু যদি ডুবে যাই?
- ডুবলে মরে যাবি।
- হুহ। পরে তোর ভাবির কি হবে?
- এত কিছু ভাবলে থাকুক। তোর যেতে হবে না।
- আচ্ছা তাহলে নিয়ে যা।
.
রুবেলের সাথে মাঝ খানে গেলাম পুকুরের। পানির মধ্যে ভেসে থাকে কিভাবে মানুষ? রুবেলের কাঁধে করে নিয়ে গেলো। কিন্তু এর মধ্যে ভয়ে আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি। কিছু করার নাই। বউয়য়ের জন্য যদি পুকুরের মাঝ খান থেকে শাপলাই না এনে দিতে পারি তাহলে কিসের জামাই হলাম। কিন্তু যাওয়ার সময় কিছু পুকুরের পানিও খেয়ে ফেলি। তবুও হার মানিনি। কোনো রকম ভাবে ফুল গুলো নিলাম। কিন্তু আরো এতদূর যেতে হবে। এইবার আরো বেশি ভয় করছে। দূর থেকে নীলাকে এক পলক দেখে নিলাম। যদি ডুবে যাই তাহলে তো আর দেখাও হবে না।
.
- এই বেটা আয় এখন।
- বন্ধু হয়রান লাগতেছে অনেক।
- আমারতো আরো বেশি হয়রান লাগতেছে। তোরে এত মাঝে নিয়ে আসছি।
- বন্ধু আমি যেতে পারবো না রে।
- তাহলে তুই এই বাশ ধরে ভাইসা থাক। আমি চলে গেলাম।
- এই বেটা কি বলছিস তুই।
- ঠিক বলছি।
.
আমাদের কাহিনী দেখে তো ওরাও চিল্লা চিল্লি শুরু করে দিছে। ভাগ্য খারাপ ছিলো আসার সময় রুবেলের কাঁধে থেকে হাত সরে যায়। আর আমিও পরে যাই। পরে রুবেল আমাকে টেনে আবার কাঁধে করে নিয়ে যায়। যখন পরে গেছিলাম তখন আরো পানি খেয়ে ফেলি। আমার অবস্থা তখন খুবই খারাপ। কিন্তু নীলার জন্য আনা ফুল গুলো ছাড়িনি। হাতেই ছিল ফুল গুলো। টেনে নিয়ে যায় পুকুরের শিড়ির সামনে। রুবেলের চোখও লাল হয়ে যায়। আমার তো অবস্থা সিরিয়াস ছিলো।
.
পাড়ে উঠে বমি করে দেই। নীলা তো আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে দেয়। বাকি সবাইও খুব চিন্তায় পড়ে যায়। সত্যি বলতে আমার বন্ধু গুলো আমাকে খুব ভালবাসে সেইদিনের পরেই বুঝতে পেরেছি। সবাই কাঁদছে আমার জন্য। আর সেইদিনের পর থেকে তাদের প্রতি ভালবাসা আমার আরো বেড়ে গেলো। এরকম বন্ধু খুব কম মানুষই পায়।
.
- এই নাও।
- কে বলেছে আপনাকে এইগুলো আনার জন্য?
- কেউ বলেনি। কিন্তু আমি আমার ভালবাসার মানুষের জন্য সব কিছুই করতে পারি। আর কাঁদছো কেনো তুমি?
- আর এরকম করবেন না। যদি কিছু হয়ে যেতো। তখন আমার কি হতো?
- আচ্ছা এইবার নাও ফুল গুলো।
- হুমম। এইগুলো আমি চিরজীবনের জন্য রেখে দিবো।
- সত্যি?
- হ্যা। সত্যি।
- প্লিজ আর কেঁদো না। তোমার কান্না আমার সয্য হচ্ছে না তো।
- আচ্ছা। এখন বাসায় চলেন।
.
পরে বাসায় গেলাম। গোসলখানায় গিয়ে গোসল করে বের হলাম। আমি রুমে চুপ করে বসে আছি। নীলা আমার পাশে বসে আছে। নীলার হাতটি ধরে আমার বুকে রাখলাম। অনেক ভালবাসি কথাটি তাকে বললাম। সে পরে তার মাথাটি আমার বুকে রাখে। টয়া লেবুর শরবত বানিয়ে নিয়ে আসে। নীলা তার নিজে হাতেই শরবত খাইয়ে দেয়। কেনো জানি ভালবাসা আরো বেড়ে গেলো।
.
- আচ্ছা শুধু আমাকে সেবা না করে। আমার বন্ধুটার সেবা কর।
- দিয়াকে দিয়ে শরবত পাঠিয়েছি তোর বন্ধুর জন্য।
- দিয়া নিয়ে গেছে?
- হ্যা। আমরা যখন তোকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তখন তো দিয়া রুবেলের পাশেই ছিলো।
- তার মানে সব ঠিক ঠাক?
- কেমনে বলতাম। আচ্ছা তুই এই পাগলামীটা না করলেও পারতি।
- কি বলিস। আমি আমার নীলার জন্য এতটুকু করতেই পারি।
- হইছে এখন চুপ-চাপ একটু শুয়ে থাকেন। আমি মাথা বুলিয়ে দিচ্ছি।
- আচ্ছা নীলা তুমি তাহলে হৃদয়ের পাশে থাকো। আমি রুবেলের রুম থেকে আসি।
- জ্বি আপু যান।
.
নীলা মাথা বুলিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু আমি তো অনেক খুশি আজ যে আমাকে কত মানুষ ভাবে। সত্যি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ওদের পাশে সবসময় থাকবো। রিয়াদ একবার আমাকে দেখে যায় আরেক বার রুবেলকে দেখে আসে। একটু পরে রুবেল আসে রুমে। রুবেল আমার আর নীলার পাশেই বসে। এবং নীলাকে কিছু বলে।
.
- ভাবি। আমার বন্ধু কিন্তু আপনাকে অনেক ভালবাসে। প্লিজ কখনো আমার বন্ধুটাকে কষ্ট দিয়েন না।
- জ্বি ভাইয়া।
- আপনিও বাসেন। সেটা জানি আমরা। কিন্তু এই ভালবাসাটা যেনো সারাজীবন থাকে। এটাই আপনার কাছে অনুরোধ।
- জ্বি ভাইয়া। আমি কখনো উনাকে কষ্ট দিবো না।
- আর বন্ধু তোমারেও বলতাছি। তুমিও কিন্তু এভাবেই ভালোবেসে যেও ভাবিকে।
- হুমম। বন্ধু তোকে অনেক ধন্যবাদরে। তুই না থাকলে তো আমি আজ দেখতেই পারতাম না এত মানুষের আমার প্রতি ভালবাসা। তোরা আমার কলিজার এক কোণে আগেও ছিলি এবং সবসময়ই থাকবি।
- আচ্ছা বন্ধু। সরি রে আমার জন্য আজ এত কিছু হয়ে গেলো। যদি আমিই এনে দিতাম তাহলে আর এত ঝামেলা হতো না।
- ধুর বোকা। এটা কিছু না। সবাইকে ডাক। একসাথে বসে কথা বলি।
- আচ্ছা ডাকতেছি।
.
পরে সবাই আসে। আন্টিকে কিছু জানানো হয়নি তখনও। আন্টি জানলে টয়া বোকা শুনবে। তাই কেউ জানায়নি আর। রবিন বাদে সবাই আমাদের রুমে আসে। কিন্তু রবিন কোথায় ওকে তো দেখতে পাচ্ছিনা। বোকা ছেলেটাও কাঁদছে আমার জন্য আজ। কখনো কাঁদতে দেখিনি। আজ আমার জন্য কাঁদলো। সুমাকে জিজ্ঞাসা করলাম রবিনের কথা। ও বললো যে বাহিরে গেছে।
.
সবাই কথা বলছিলাম। নীলা আমার মাথার পাশে বসে মাথা বুলিয়ে দিচ্ছে। তখন লজ্জা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছিলো। একটু পর রবিন আসে ফ্রুটো নিয়ে। আর ফার্মেসি থেকে মেডিসিন নিয়ে আসলো।
.
- এইগুলো আনতে বলেছে কে তোকে? আর এইগুলো তো এখানে পাবিও না। বাজার তো কত দূরে। তুই চিনলি কিভাবে? দেখ ঘেমে কি হয়ে আসছে।
- আচ্ছা পরে কথা বইলো। আগে ফ্রুটো টা খাও। পরে খাবার খেয়ে মেডিসিন নিও।
- তোরা খুব পেঁকে গেছিস।
.
সবাই মিলেই ফ্রুটো খেলাম। তখন দুপুর হয়ে গেছে। সে সময় সব দোকানই বন্ধ থাকে। আর টয়াদের বাসা থেকে বাজারটা অনেক দূরেই। রবিন চিনেও না। কিন্তু একা একাই এত দূরে যায়।
.
- বাসায় কিন্তু এইগুলো কাউকে জানাইসনা রবিন।
- আচ্ছা ভাইয়া ঠিক আছে।
- তুই তো আবার সব কিছু আপুর কাছে শেয়ার করিস। এটা কিন্তু বলিস না। তাহলে কিন্তু ঢাকায় চলে যেতে হবে।
- আচ্ছা ঠিক আছে ভাইয়া।
.
- বন্ধু চল না। আগামীকাল আমাদের বাসায় যাবো সবাই।
- এখান থেকে কতদূর?
- বেশি না এক দেড় ঘন্টা বাসে সময় লাগবে।
- আংকেল কি বলেছে আজ মনে আছে তো?
- আরে বেটা সমস্যা নাই। বিকেলের দিকে যাবো। দুই দিন থাকবো আমাদের বাসায়।
- আচ্ছা আমার কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু টয়াকে কি যেতে দিবে?
- জানিনারে। তুই আব্বু - আম্মুকে বলে দেখিস।
- আচ্ছা ঠিক আছে।
.
দুপুরে খাবার খেয়ে একটা ঘুম দিলাম। সন্ধ্যার সময় ঘুম থেকে উঠি। শরীর ক্লান্ত ছিলো অনেক। তাই অনেকক্ষণ ধরে ঘুমিয়েছি। কেউ ডাকেও নি। আমি, রিয়াদ, আর রুবেল ভাল মতোই ঘুমিয়েছি। মোবাইল সাইলেন্ট ছিলো। তাই আপুর কল ধরতে পারিনি। তাই পরে কল ব্যাক করি।
.
- হ্যালো আপু।
- কিরে ঘুমিয়েছিলি?
- হ্যা আপু। কি করিস?
- তোর ভাইয়ার সাথে বসে আছি।
- আয়ান কোথায়?
- আয়ান ওর চাচ্চুর সাথে বাহিরে ঘুরতেছে। আচ্ছা নে তোর ভাইয়া কথা বলবে তোর সাথে।
- কেমন আছো শালা ভাই?
- জ্বি ভাইয়া ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?
- হ্যা ভালো আছি ভাইয়া। শুনলাম বউ নিয়ে নাকি ঘুরতে গেছো?
- আপু বলছে এই কথা?
- হ্যা। তো শালার বউকে কি আমরা দেখতে পারবো না?
- অবশ্যই ভাইয়া।
- আচ্ছা তাহলে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করো। পরে কথা হবে।
- ঠিক আছে ভাইয়া। আল্লাহ্ হাফেজ।
- হুম আল্লাহ্ হাফেজ।
.
আপুকে জানাইনি কথা গুলো। পরে একসময় জানাবো। এখন যদি বলতাম তাহলে আজই ঢাকায় চলে যেতে বলতো। পরে রিয়াদ রুবেলকে উঠিয়ে দিলাম। একটু বাহিরে থেকে হেটে আসি। কিন্তু বাকি সবাই কোথায় গেলো? টয়াকে কল দিলাম। টয়া বললো ওরা সবাই ছাদে আছে। আমরা ফ্রেশ হয়ে বাহিরে গেলাম। রবিনকে কল দিলাম। পরে রবিনও আসে।
.
- আচ্ছা বন্ধু দিয়াকেও সাথে যেতে বলিস।
- কোথায় যেতে বলবো?
- ভুলে গেছোত? কাল বিকেলে আমাদের বাড়িতে যাবো। দুপুরে না বললাম তোদের।
- ওহ আচ্ছা। বিয়ের আগেই যদি বউকে বাসায় নিয়ে যাস এটাকি ঠিক দেখায়।
- বন্ধু তুই টয়াকে বলে দিয়াকেও সাথে নিয়ে নিবি।
- আচ্ছা ঠিক আছে।
- আমি কিন্তু বাসায় জানিয়ে দিছি আমরা কালকে যাবো।
- কখন জানালি?
- যখন তোরা ঘুমাচ্ছিলি তখনই জানিয়ে দিছি।
- আচ্ছা বন্ধু কাহিনীটা কি বলতো? আমাদের নিয়ে যাবি নাকি দিয়াকে তোদের বাসা চিনানোর জন্য নিয়ে যাবি।
- দুইটাই বন্ধু।
- এত চালাক তুই।
- বন্ধু সারাদিনেও সিগারেট খাইনি। কেমন জানি লাগছে।
- হুম যা খাওয়ার বিয়ের আগেই খেয়ে নে। বিয়ের পর তো আর খেতে পারবো না।
- ঠিকই বলছিস রে।
.
মামার দোকানে গেলাম। আমাদের দেখে মামা হাসি দিলেন। চা খাচ্ছিলাম আর সাথে সিগারেট। মামা আমাদের জন্য স্পেশাল চা বানিয়ে দেয়।
.
- মামা চা টা কিন্তু অস্থির বানিয়ে দিছেন।
- খান মামা। আরো চা দিবো?
- দিন আরো এক কাপ করে।
- আচ্ছা মামা। দিচ্ছি।
.
চা খেয়ে মামাকে বিল দিতে গেলাম। কিন্তু বিল নিবেনা। কারণ জানতে চাইলাম। বললো আপনারা হইছেন মামা মেহমান আপনাদের থেকে বিল কিভাবে রাখি। গতকাল রাখছি এটাইতো খারাপ লাগছে আমার কাছে। পরে জোড় করেই বিল দিয়ে আসলাম। এত ভালো মানুষও আছেন এখনো। কে বলেছে সময়ের সাথে সাথে মানুষ পাল্টে গেছে। সবাই পাল্টে যায়নি। এখনো অনেক ভালো মানুষ আছেন। মামা কে বিদায় জানিয়ে বাসায় আসছিলাম। রাস্তা দিয়ে হাটার সময় একটা ব্যান রিয়াদের শরীরে লাগিয়ে দেয়।
.
রিয়াদের হাত কেটে যায়। ব্যান থেকে তাড়া-তাড়ি নেমে আসে লোকটি।
.
- বাবা। ব্যান এ উঠেন। আপনাদের ডাক্তারের দোকানে নিয়ে যাই আগে।
- জ্বি চাচা।
.
মুরুব্বী একটা লোক ব্যান চালাচ্ছিলো। দোষটা আমাদেরই ছিলো। আমরা দুষ্টামি করতে করতে রাস্তা দিয়ে হাটছিলাম। পরে ব্যানে সাথে ধাক্কা লাগে রিয়াদের। অন্যকেউ হলে কিন্তু আমাদেরই দোষ দিয়ে চলে যেতো। কিন্তু চাচার ব্যবহার দেখে আমরা পুরাই অবাক হয়ে গেলাম।
ডাক্তারের দোকানের সামনে গিয়ে ব্যান থেকে নামি। রিয়াদের হাতে দুইটা সিলি পরে। ভাল মতোই কেটে গেছিলো।
.
- ডাক্তার সাব। কত টাকা হইছে?
- ৮০৫ টাকা। ৮০০ টাকা দিন।
- চাচা আপনার টাকা দিতে হবেনা। আপনি আমাদের নিয়ে এসেছেন এটাই অনেক।
- না বাবা। আমার ব্যান এ লেগেই তো আপনাদের এত বড় ক্ষতি হয়েছে।
- চাচা সমস্যা নেই।
.
আমরাই টাকাটা দিয়ে মেডিসিন নিয়ে চাচার ব্যান এ করেই চলে আসি।
.
- চাচা আপনার বাসা কোথায়?
- একটা গ্রামের নাম বললো। ঐ খানেই বাসা। আপনারা কোথায় থাকেন?
- চাচা। আপনি আমাদের বাবার বয়সি। আমাদের আপনি করে কেনো বলছেন? আর আমরা ঢাকা থাকি। এইখানে মালেক সাহেবের বাড়িতে এসেছি।
- ও মালেক সাহেবের বাসায় এসেছেন?
- চাচা। তুই করে বলুন না হলে তুমি করে বলুন তবুও আপনি করে বইলেন না।
- আচ্ছা বাবা। তোমাদের মালেক সাহেবের বাসার সামনেই নামিয়ে দিয়ে আসি তাহলে।
- আচ্ছা চাচা ঠিক আছে।
.
বাসার সামনে এসে পরি। আমাদের গেইটের সামনে নামিয়ে দেয়। চাচার ব্যবহারে আমাদের সত্যি মুগ্ধ করেছেন। চাচার সাথে বুকে বুক মিলিয়ে নিলাম। এবং কিছু টাকা দেই। কিন্তু তিনি নিবেন না। আমরা জোড় করেই তার পকেটে ঢুকিয়ে দিলাম। পরে চাচাকে বিদায় দিয়ে বাসায় চলে গেলাম। এবং ভাবতেছিলাম আজকের দিনটা আমাদের জন্য খারাপ ছিলো। অনেক গুলো এক্সিডেন্ট হয়ে গেলো আমাদের মাঝে। তবে আল্লাহ্র রহমতে আমাদের তেমন কিছু হয়নি।
.
(চলবে)
.
.
লেখাঃ হৃদয় নাদিম

Comments
Post a Comment